পিঠা উৎসব ডেকোরেশন আইডিয়া: স্টল থেকে ঘরের কোণ
আপডেট: ৪ অক্টোবর, ২০২৬
সবচেয়ে সহজ পিঠা উৎসব ডেকোরেশন আইডিয়া হলো ঋতুর নিজের জিনিস: চালের গুঁড়ির আলপনা, রং করা কুলা, মাটির হাঁড়িতে গাঁদা, নকশি কাঁথার টেবিল আর সন্ধ্যায় হারিকেনের আলো। পৌষ-মাঘের পিঠা মেলার স্টল, ছাদ, গ্রামের উঠোন বা ফ্ল্যাটের ছোট কোণ, সবখানেই এগুলো কম খরচে মানায়।


চালের গুঁড়ির আলপনা আর মাটির প্রদীপ
আতপ চাল ভিজিয়ে বেটে পিটুলি বানান, আগের রাতেই দরজার সামনে বা পিঠার টেবিল ঘিরে আলপনা দিন। পদ্ম, ধানের শিষ আর মাছের নকশা, কিনারে সারি করে মাটির প্রদীপ। লাল মেঝেতে সাদা আলপনা সবচেয়ে বেশি ফোটে।
এই আইডিয়াটি চেষ্টা করুন
রং করা কুলার ব্যাকড্রপ
বাঁশের চাটাই বা চটের দেয়ালে সাত-আটটা কুলা ঝুলিয়ে দিন, প্রতিটিতে সাদা, লাল আর হলুদে শঙ্খ, ফুল বা মাছ আঁকা। হাটে কুলা সস্তা, দেখতে খাঁটি বাঙালি, আর উৎসব শেষে এই কুলাতেই পিঠা পরিবেশন করা যায়।
এই আইডিয়াটি চেষ্টা করুন
বাঁশ আর খড়ের পিঠার স্টল
স্কুল, কলেজ বা পাড়ার পিঠা মেলার চেনা স্টল: বাঁশের কাঠামো, খড়ের ছাউনি, কাউন্টারে চটের কাপড়। ব্যানারের লেখা ছোট রাখুন আর কাউন্টার নিচু করুন, যাতে দূর থেকেই পিঠাগুলো চোখে পড়ে।
এই আইডিয়াটি চেষ্টা করুন
রং করা হাঁড়ি-কলসি আর গাঁদা
কুমোরের কাছ থেকে কয়েকটা হাঁড়ি আর কলসি এনে সাদা, লাল আর হলুদে ফোঁটা ও লতাপাতা আঁকুন। সারি করে বা একটার ওপর আরেকটা বসিয়ে কয়েকটায় গাঁদা রাখুন: অল্প খরচে মেঝের কাছেও রং আসে।
এই আইডিয়াটি চেষ্টা করুন
নকশি কাঁথার টেবিলে পিঠা
টেবিলক্লথের বদলে বিছিয়ে দিন নকশি কাঁথা বা হাতে সেলাই করা চাদর। ওপরে কাঁসা-পিতলের থালা, প্রতিটি পিঠার নিচে কলাপাতার টুকরো, ছোট হাঁড়িতে খেজুরের গুড়। এখানে টেবিলটাই সবচেয়ে বড় সাজ।
এই আইডিয়াটি চেষ্টা করুন
কলাপাতা আর কুলায় পিঠা সাজানো
ভাপা, চিতই, পাটিসাপটা আর পুলি আলাদা আলাদা কুলা ও বাঁশের ঝুড়িতে কলাপাতা পেতে রাখুন, মাঝে গুড় আর নারকেল কোরার বাটি। প্লাস্টিকের প্লেট লাগে না, পুরো ডিসপ্লে দেখায় গ্রামের রান্নাঘরের মতো।
এই আইডিয়াটি চেষ্টা করুন
দরজায় গাঁদা আর আমপাতার মালা
ঢোকার পথে বা স্টলের সামনে গাঁদা আর আমপাতার মালা ঝোলান। এক দিনের উৎসবে সকালে কেনা তাজা ফুল, কয়েক দিনের মেলায় কাগজ বা কাপড়ের মালা টেকে বেশি। গায়ে হলুদেও চলে: বিয়ের ঘর সাজানোর আইডিয়া।
এই আইডিয়াটি চেষ্টা করুন
সন্ধ্যার জন্য হারিকেন আর মরিচবাতি
শীতে সন্ধ্যা নামে তাড়াতাড়ি, আর মেলা জমে তখনই। প্রতিটি কাউন্টারে একটা হারিকেন রাখুন, বাঁশের কাঠামো ধরে হলুদ আলোর মরিচবাতি টানুন। সাদা ঠান্ডা আলো এড়িয়ে চলুন, ওতে পিঠার রং ফ্যাকাশে লাগে।
এই আইডিয়াটি চেষ্টা করুন
গামছার পতাকা আর রানার
লাল-সবুজ চেক গামছা ত্রিভুজ করে কেটে দড়িতে পতাকার মতো ঝোলান; একই গামছা টেবিলের রানার বা স্টলের ঘের হিসেবেও চলে। সস্তা, রঙিন, আর উৎসব শেষে ধুয়ে আবার কাজে লাগে।
এই আইডিয়াটি চেষ্টা করুন
শীতল পাটিতে মেঝেতে বসা
মেঝেতে শীতল পাটি বা মাদুর বিছান, লাল আর সরষে রঙের গোল কুশন রাখুন, মাঝখানে নিচু জলচৌকিতে পিঠার থালা। অতিথিরা বসে ধীরেসুস্থে খান, আর ঘরটা লাগে নানাবাড়ির মতো।
এই আইডিয়াটি চেষ্টা করুন
খেজুরের রসের কোণ
খেজুরের রস আর নলেন গুড় এই মৌসুমেরই জিনিস। দড়ি বাঁধা কয়েকটা রসের হাঁড়ি, একটা খড়ের মাদুর, পেছনে খেজুরপাতা আর এক বাটি গুড়: পিঠার গল্পটা এই কোণেই বলা হয়ে যায়।
এই আইডিয়াটি চেষ্টা করুন
দেয়ালে নকশা করা হাতপাখা
তালপাতার হাতপাখা আর কাপড়ে সুতোর কাজ করা পাখা একসঙ্গে দেয়ালে বা স্টলের চালের নিচে সাজান। লোকশিল্পের এই জিনিসে খালি দেয়াল ভরে যায়, ছবিতেও দারুণ আসে।
এই আইডিয়াটি চেষ্টা করুন
ধানের আঁটি আর ঢেঁকির কোণ
পিঠার চালের গুঁড়ি আসে নতুন ধান থেকে। সোনালি ধানের আঁটি দাঁড় করিয়ে রাখুন, পাশে পুরোনো ঢেঁকি বা হামানদিস্তা, কয়েকটা কুমড়া আর সরষে ফুল। মেলায় এটা ছবি তোলার কোণ, বাড়িতে নবান্নের কথা মনে করায়।
এই আইডিয়াটি চেষ্টা করুন
ফ্ল্যাটে ছোট্ট পিঠার কোণ
স্টল বসানোর জায়গা নেই? সাইডবোর্ড বা কোণের টেবিলে পাটের রানার বিছিয়ে কাঁসার বাটিতে পিঠা রাখুন, পাশে ছোট হাঁড়িতে গাঁদা আর একটা পিতলের প্রদীপ। পেছনে দেয়ালে হেলান দেওয়া একটা কুলাই যথেষ্ট।
এই আইডিয়াটি চেষ্টা করুন
ঢাকার ফ্ল্যাটের সাধারণ বসার ঘর
কাঠের হাতলের সোফা, কাচের সেন্টার টেবিল, টিভি ইউনিট আর সাদা টাইলস: শহরের বেশির ভাগ বসার ঘর এমনই। পিঠার সন্ধ্যার আগে ঘরের একটা ছবি তুলে রাখুন, কী সরাবেন আর কী আনবেন, পরিষ্কার হয়ে যায়।
এই আইডিয়াটি চেষ্টা করুন
একই ঘর, পিঠার সন্ধ্যার জন্য তৈরি
সেন্টার টেবিল সরিয়ে মেঝেতে পাটি আর কুশন, সোফায় নকশি কাঁথা, জানালায় গাঁদার মালা, দেয়ালে দুটো কুলা। এটি উদাহরণের ছবি, অ্যাপের ফল নয়: Renova ঘরটা ভারতীয় স্টাইলে উষ্ণ করতে পারে, উৎসবের জিনিস যোগ করবেন নিজ হাতে।
এই আইডিয়াটি চেষ্টা করুন
ফ্ল্যাটবাড়ির খালি ছাদ
পানির ট্যাংক, সিঁড়িঘর, কাপড় শুকানোর দড়ি আর টিনের কৌটায় কয়েকটা গাছ। অনেক অ্যাপার্টমেন্টের ছাদ এমন, অথচ পুরো বিল্ডিংয়ের পিঠা উৎসবের জন্য এর চেয়ে ভালো জায়গা কমই আছে।
এই আইডিয়াটি চেষ্টা করুন
ছাদে পাড়ার পিঠা উৎসব
দড়ি নামিয়ে তিনটা ছোট বাঁশ-খড়ের স্টল, মাথার ওপর গামছার পতাকা আর মরিচবাতি, রেলিং ধরে গাঁদার হাঁড়ি, বসার জন্য মাদুর। এটিও উদাহরণের ছবি। সন্ধ্যায় আলোই অর্ধেক সাজ, তাই বিদ্যুতের লাইন আগেই ঠিক করে নিন।
এই আইডিয়াটি চেষ্টা করুন
গ্রামের বাড়ির উঠোন
টিনের চালের ঘর, পাশে মাটির রান্নাঘর, কলাগাছ আর সুপারিগাছ, ঝাঁট দেওয়া মাটির উঠোন। কুয়াশা ভরা পৌষের সকালে এই উঠোনই পরিবারের পিঠা খাওয়ার জায়গা।
এই আইডিয়াটি চেষ্টা করুন
পৌষ সংক্রান্তির সকালে উঠোন
মাঝখানে পদ্ম আর ধানের শিষের বড় আলপনা, পাশে মাদুর আর কাঁথা, কুলায় কলাপাতার ওপর পিঠা, চারদিকে প্রদীপ আর গাঁদার হাঁড়ি, বারান্দায় আমপাতার মালা। উদাহরণের ছবি; আলপনা আগের রাতে দিলে সকালে শুকনো থাকে।
এই আইডিয়াটি চেষ্টা করুন
সাদামাটা খাবার ঘর
প্লাস্টিকের টেবিলক্লথ, কাচের ক্রোকারিজ আলমারি, ক্রিম দেয়াল আর টিউবলাইট। পিঠার টেবিল যে ঘরে বসবে, সেটা এমন ফ্যাকাশে হলে সাজের রংও মরে যায়।
এই আইডিয়াটি চেষ্টা করুন
টেরাকোটা গোধূলি রঙে খাবার ঘর
এই ছবি Renova দিয়ে তৈরি: ইন্টেরিয়র টুলে খাবার ঘর, ভারতীয় স্টাইল, সাজ বদল আর টেরাকোটা গোধূলি প্যালেট। টেবিল একই থাকে, রং আর কাপড় উষ্ণ হয়; এবার শুধু নকশি কাঁথা আর পিঠা সাজানো বাকি।
এই আইডিয়াটি চেষ্টা করুন
পুরোনো ফ্ল্যাটের ড্রয়িং রুম
ফুলেল কভারের সোফা, দুটো বেতের চেয়ার, কাচের শোকেস, হালকা সবুজ দেয়াল আর মোজাইকের মেঝে: কলকাতা বা ঢাকার পুরোনো ফ্ল্যাটে খুব চেনা ঘর। শোকেস নিয়ে ভাবলে দেখুন দেয়াল শোকেসের ডিজাইন।
এই আইডিয়াটি চেষ্টা করুন
উষ্ণ মাটির রঙে ড্রয়িং রুম
Renova-র ইন্টেরিয়র টুলে বসার ঘর, ভারতীয় স্টাইল, সাজ বদল আর উষ্ণ মাটির রং বেছে এই ছবি তৈরি। ঘরের গঠন একই, শীতের জন্য রং উষ্ণ। নতুন সোফার কথা ভাবলে দেখুন সোফার ডিজাইন আইডিয়া।
এই আইডিয়াটি চেষ্টা করুন